উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ভাটিচরনওপাড়া এলাকায় উড়িহরি নদীর তীরবর্তী বালু ঘাটে এ বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী ঘাট সূত্র জানায়, রাজিবপুর ইউনিয়নের ভাটিচরনওপাড়া এলাকার বালুমহালটি সরকার থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইজারা নিয়ে ইজারাদাররা সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি এলাকার একটি প্রভাবশালী ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ সংঘবদ্ধ চক্র ঘাটের ইজারাদার ও কর্মচারীদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল।
ঘটনার দিন চক্রটির সদস্যরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘাটে এসে সরাসরি চাঁদা দাবি করে। ঘাট কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা অবৈধ চাঁদা দিতে স্পষ্ট অস্বীকৃতি জানালে দুর্বৃত্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘাটে থাকা অস্থায়ী অফিস, বালু উত্তোলনের বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম, ড্রেজারের পাইপ এবং অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। একই সাথে ঘাটের ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন।
এ ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনার পর থেকে রাজিবপুর ইউনিয়ন ও সংলগ্ন ভাটিচরনওপাড়া এলাকায় থমথমে অবস্থা এবং চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আতঙ্ক।
এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘাট মালিক কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে চাঁদাবাজ ও হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে চাঁদা দাবি, হামলা ও লুটপাটের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে অভিযুক্ত পক্ষের কারো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিবেদক: আদিল সরকার, ঈশ্বরগঞ্জ
