শৈশব থেকেই সাহিত্য ও কবিতার প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে সেই আগ্রহ নিয়মিত সাহিত্যচর্চায় পরিণত হয়। একসময় কবিতা লেখা তাঁর সৃজনশীল জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সাহিত্যসাময়িকীতে তাঁর লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। লেখালেখির দীর্ঘ পথপরিক্রমায় তিনি ব্যক্তিমানুষের অনুভূতি, প্রেম-বিরহ, প্রকৃতি, নিঃসঙ্গতা, অস্তিত্বের সংকট, সামাজিক বাস্তবতা, দেশ, ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের নানা বিষয়কে তাঁর সাহিত্যকর্মে ধারণ করেছেন। ফলে তাঁর সাহিত্যচর্চার মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতির পাশাপাশি সমাজ ও সময়ের প্রতিফলনও লক্ষ করা যায়।
মিলন সব্যসাচীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ বধির সময় প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে। গ্রন্থটির নামেই সমকালীন সময় ও সমাজকে দেখার একটি প্রতীকী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়। তাঁর কবিতায় মানুষের অন্তর্গত বেদনা, স্বপ্ন, হতাশা, প্রত্যাশা, প্রেম, বিচ্ছেদ ও নিঃসঙ্গতা যেমন স্থান পেয়েছে, তেমনি প্রকৃতি ও সমাজের নানা অসংগতিও উঠে এসেছে। তাঁর কবিতার ভাষায় কখনো আবেগের তীব্রতা, কখনো প্রকৃতির কোমলতা, কখনো আবার সামাজিক বাস্তবতার প্রতি প্রশ্ন ও প্রতিবাদের সুর লক্ষ করা যায়।
অস্তিত্ব সংকট কবিতায় মানুষের অন্তর্গত অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার বিষয়টি সামনে এসেছে। মানুষের জীবন, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে যে সংশয় ও অস্থিরতা তৈরি হয়, কবি সেখানে আলো ও আশার সন্ধান করেছেন। দারুচিনির দেশ কবিতায় প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবন, শৈশবের স্মৃতি এবং নিজের মাটির প্রতি মানুষের গভীর টান ফুটে উঠেছে। চারিত্রিক সনদ কবিতায় সমাজ ও মানুষের চরিত্রের বিভিন্ন অসংগতিকে রূপক ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ক্ষণিকের জলসা ঘরে কবিতায় নিঃসঙ্গতা, বিষাদ, স্মৃতি ও অপূর্ণতার আবহ তৈরি হয়েছে। আবার যেতে চাও যাও কবিতায় বিচ্ছেদ, পিছুটান ও প্রিয়জনের অনুপস্থিতির বেদনা প্রকাশ পেয়েছে।
তাঁর পরবর্তী কবিতাগুলোর শিরোনামেও বিষয়বৈচিত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়। খণ্ড মৃত্যুর মুখোমুখি, আবক্ষ বিদীর্ণ দীর্ঘশ্বাসে, একাকীত্বের একাল সেকাল, সবুজ ঘাসের সাদাকষ্ট, পিতৃ-মাতৃ ঋণ, রক্তিম অন্ধকার, জন্মান্ধ স্বভাব ও আদিম মরুভূমির মতো কবিতার শিরোনাম তাঁর ভাবনার বিস্তৃত পরিসরের পরিচয় বহন করে। এসব রচনায় ব্যক্তি ও সমাজ, জীবন ও মৃত্যু, প্রকৃতি ও মানুষ, স্মৃতি ও বর্তমান, আশা ও হতাশার নানা দ্বন্দ্ব ও অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ছড়া ও শিশুসাহিত্য। শিশুদের জন্য লেখা সাহিত্যে ভাষাকে সহজ, সাবলীল ও আনন্দময় করে তুলতে হয়। ছন্দ, কল্পনা, হাস্যরস ও শিক্ষামূলক ভাবনার সমন্বয় ঘটিয়ে শিশুদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি তাদের চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটানোও শিশুসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। তাঁর সিংহমামার বিয়ে গ্রন্থটি ২০১১ সালে প্রকাশিত একটি ছড়াগল্পের বই হিসেবে উল্লেখযোগ্য। শিশুদের উপযোগী সাহিত্য রচনার মধ্য দিয়ে তাঁর সৃষ্টিশীলতার আরেকটি দিক প্রকাশ পেয়েছে।
কবিতা ও ছড়ার পাশাপাশি মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যচর্চায় গল্পেরও উপস্থিতি রয়েছে। কবিতা যেখানে অল্প কথায় একটি অনুভূতি, দৃশ্য বা ভাবকে প্রকাশ করতে পারে, গল্প সেখানে চরিত্র, ঘটনা ও পরিবেশের মধ্য দিয়ে জীবনের বিস্তৃত বাস্তবতাকে তুলে ধরার সুযোগ দেয়। গল্পকার হিসেবেও তাঁর সাহিত্যিক বিচরণ তাঁর বহুমাত্রিক সৃজনশীলতার পরিচয় বহন করে। মানুষের জীবন, সম্পর্ক, সমাজ ও বাস্তবতার বিভিন্ন দিক কথাসাহিত্যের মাধ্যমে প্রকাশের যে সুযোগ রয়েছে, তিনি সেই ক্ষেত্রেও তাঁর সাহিত্যিক আগ্রহের পরিচয় দিয়েছেন।
প্রবন্ধ ও নিবন্ধ রচনাও তাঁর সাহিত্যকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কবিতার আবেগ ও কল্পনার বাইরে প্রবন্ধে একজন লেখককে যুক্তি, তথ্য, বিশ্লেষণ ও চিন্তার সুসংবদ্ধ প্রকাশ ঘটাতে হয়। মিলন সব্যসাচী এই ক্ষেত্রেও তাঁর সাহিত্যিক আগ্রহের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর সম্পাদিত নির্বাচিত প্রবন্ধ বাঙালির বাতিঘর গ্রন্থটি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন বিষয়ের প্রবন্ধকে একত্র করে পাঠকের সামনে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে তাঁর সম্পাদকীয় দক্ষতার পরিচয়ও পাওয়া যায়।
মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যকর্মের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সম্পাদনা ও সংকলন। বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত পদাবলী, বঙ্গবন্ধুর বিপ্লবী চেতনা, বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ কীর্তি, বাঙালির বাতিঘর এবং হাজার কবিতায় বঙ্গবন্ধু প্রভৃতি গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পাদনাকর্মের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাজার কবিতায় বঙ্গবন্ধু নামে বৃহৎ কবিতা সংকলন সম্পাদনা তাঁর সাহিত্য-সংগঠক ও সম্পাদকসত্তার পরিচয় বহন করে। বিভিন্ন কবির কবিতা সংগ্রহ, নির্বাচন, সম্পাদনা ও বিন্যাসের মধ্য দিয়ে একটি বৃহৎ সাহিত্যিক সংকলন তৈরি করা নিঃসন্দেহে দীর্ঘমেয়াদি শ্রম ও সাংগঠনিক দক্ষতার কাজ।
বঙ্গবন্ধুর বিপ্লবী চেতনা গ্রন্থেও বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়কে সাহিত্যিক ও চিন্তাশীল পরিসরে তুলে ধরার চেষ্টা দেখা যায়। একইভাবে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা বাঙালির মুক্তি, ছন্দিত নন্দিত শেখ রাসেল এবং শেখ হাসিনাকে নিবেদিত পঙক্তিমালা প্রভৃতি যৌথ সম্পাদিত গ্রন্থের সঙ্গেও তাঁর নাম যুক্ত রয়েছে। এসব সম্পাদনা ও সংকলনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি নিজের লেখা প্রকাশের পাশাপাশি অন্য লেখকদের সৃষ্টিকেও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে ভূমিকা রেখেছেন।
একজন সাহিত্যিকের বহুমাত্রিক পরিচয় শুধু তাঁর লেখা বইয়ের সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না; তাঁর বিষয় নির্বাচনের বৈচিত্র্য, ভাষার ব্যবহার, চিন্তার পরিধি এবং সাহিত্যকে সমাজের সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতাও তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যকর্মের দিকে তাকালে দেখা যায়, ব্যক্তিমানুষের আবেগ থেকে শুরু করে প্রকৃতি, সমাজ, ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের নানা বিষয় তাঁর লেখালেখিতে স্থান পেয়েছে। কখনো তিনি কবিতায় ব্যক্তিগত বেদনা প্রকাশ করেছেন, কখনো প্রকৃতির সৌন্দর্যকে স্মৃতি ও অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়েছেন, আবার কখনো সমাজ ও সময়ের নানা অসংগতিকে রূপক ও প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
তাঁর কবিতায় প্রকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। নদী, সবুজ, মাটি, আকাশ, আলো, অন্ধকার, ঋতু ও গ্রামীণ পরিবেশ তাঁর কাব্যচিন্তার সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত হয়েছে। প্রকৃতির দৃশ্য তাঁর কাছে শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; অনেক সময় তা হয়ে উঠেছে মানুষের স্মৃতি, অনুভূতি ও জীবনবোধের প্রতীক। ফলে প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে লেখা কবিতাগুলোতেও ব্যক্তিমানুষের আবেগ ও সামাজিক বাস্তবতার ছায়া দেখা যায়।
প্রেম ও বিরহও তাঁর কবিতার অন্যতম প্রধান বিষয়। ভালোবাসার সঙ্গে বিচ্ছেদ, অপেক্ষা, স্মৃতি, একাকীত্ব ও না-পাওয়ার বেদনা তাঁর কবিতায় বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর প্রেমের কবিতা কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; অনেক ক্ষেত্রে প্রেম মানুষের অস্তিত্ব, স্মৃতি ও জীবনের অনিশ্চয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে উঠেছে। এ কারণে তাঁর প্রেম ও বিরহের কবিতায় ব্যক্তিগত আবেগের পাশাপাশি একটি মানবিক আবেদনও অনুভূত হয়।
মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতার উপস্থিতিও লক্ষণীয়। মানুষের চারিত্রিক বৈপরীত্য, সামাজিক অসংগতি, মূল্যবোধের পরিবর্তন, মানুষের একাকীত্ব ও অস্তিত্বের সংকট তাঁর লেখায় বিভিন্নভাবে এসেছে। তিনি সরাসরি বক্তব্যের পাশাপাশি প্রতীক, রূপক ও চিত্রকল্পের মাধ্যমে অনেক বিষয়কে প্রকাশ করেছেন। তাঁর কবিতার বিভিন্ন শিরোনাম থেকেই বোঝা যায় যে সমকালীন জীবন ও মানুষের মানসিক জটিলতা তাঁর সাহিত্যিক চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সাহিত্যকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। বাংলা সাহিত্য একাডেমির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। মাদারীপুরে সাহিত্যচর্চা, বইপড়া এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠান যুক্ত। বই পড়ার অভ্যাস একটি সমাজের মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও বইয়ের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ তাই একজন সাহিত্যিকের সামাজিক দায়বদ্ধতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যজীবনে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরস্কার ২০১০ তাঁর প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বলে সাহিত্যসূত্রে তথ্য পাওয়া যায়। তবে একজন লেখকের প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু পুরস্কার বা সম্মাননার মধ্য দিয়ে হয় না। তাঁর রচনার স্থায়িত্ব, পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, সময়কে ধারণ করার ক্ষমতা এবং পরবর্তী প্রজন্মের ওপর তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রভাবই শেষ পর্যন্ত একজন লেখকের সাহিত্যিক গুরুত্ব নির্ধারণ করে।
মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যকর্মের সামগ্রিক পর্যালোচনায় তাঁকে একজন বহুমাত্রিক সাহিত্যিক হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। কবিতা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের মূলভিত্তি হলেও ছড়া, শিশুসাহিত্য, গল্প, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সম্পাদনা ও সংকলন তাঁর সাহিত্যচর্চাকে আরও বিস্তৃত করেছে। তাঁর সৃষ্টিশীলতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিষয়ের বৈচিত্র্য। ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে শুরু করে সমাজ, প্রকৃতি, ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের নানা প্রসঙ্গ তাঁর সাহিত্যকর্মে স্থান পেয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে একজন লেখকের অবস্থান তৈরি হয় দীর্ঘদিনের সাধনা, নিয়মিত লেখালেখি এবং পাঠকের সঙ্গে তাঁর সৃষ্টির সম্পর্কের মধ্য দিয়ে। মিলন সব্যসাচীর সাহিত্যযাত্রাও দীর্ঘদিনের সেই সাধনার ফল। তাঁর বধির সময় কাব্যগ্রন্থ থেকে শুরু করে বিভিন্ন কবিতা, ছড়াগল্প, প্রবন্ধ সংকলন এবং ইতিহাস ও জাতীয় জীবনের নানা বিষয়ক সম্পাদিত গ্রন্থ তাঁর সাহিত্যসাধনার বিস্তৃত পরিসরকে সামনে নিয়ে আসে।
সব মিলিয়ে মিলন সব্যসাচী বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমাত্রিক ও সক্রিয় সাহিত্যকর্মী। তাঁর কবিতায় যেমন মানুষের আবেগ, প্রেম, বিরহ, নিঃসঙ্গতা ও প্রকৃতি স্থান পেয়েছে, তেমনি তাঁর ছড়া ও শিশুসাহিত্যে রয়েছে ভিন্নধর্মী সৃষ্টিশীলতা। গল্প ও প্রবন্ধে তিনি জীবনের অন্য বাস্তবতাকে ধারণ করেছেন এবং সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন বিষয় ও লেখকের সৃষ্টিকে বৃহত্তর পাঠকসমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন। তাঁর সাহিত্যযাত্রা তাই শুধু একজন কবির ব্যক্তিগত সৃষ্টির ইতিহাস নয়; এটি কবিতা, ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ ও সম্পাদনার মধ্য দিয়ে বিস্তৃত একটি দীর্ঘ সাহিত্যসাধনার পরিচয়। সময়ের প্রবাহে তাঁর নতুন সৃষ্টি ও সাহিত্যকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পাঠকসমাজে আরও আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করবে এমন প্রত্যাশা সাহিত্যপ্রেমী পাঠকের থাকতেই পারে।
লেখক: আমিনুল হক শাহ্ (দুলাল)
