সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শতভাগ পরিশোধিত ইস্পাত (রিফাইন্ড স্টিল) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় এ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার ঘটে।
আহতরা হলেন—বাংলাদেশি শ্রমিক মনির, জুয়েল ও সাইফুল এবং চীনা নাগরিক জেংলিং হং। দুর্ঘটনার পর পরই তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রতিষ্ঠানটির এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন কর্মকর্তা যুবরাজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের যে খবর রটেছে তা সঠিক নয়। মূলতঃ ফার্নেসের অভ্যন্তরীণ কারিগরি ত্রুটির কারণে গলিত উত্তপ্ত লোহা ছিটকে পড়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত শ্রমিকদের সাথে চমেক হাসপাতালে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তাঁরা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আশঙ্কামুক্ত ও স্বাভাবিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পরপরই অর্থনৈতিক অঞ্চলের দায়িত্বরত শিল্প পুলিশ ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানা পরিদর্শন করেন।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ লুৎফর রহমান ও শিল্প পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাইসুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আহত চারজনকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ফার্নেসের ত্রুটি ধরা পড়লেও দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চরশরৎ পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বাবুল জানান, দুপুরের দিকে চুল্লিতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পরপরই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।
প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
