বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার খড়িবাড়ী শেখপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই রাতেই কিশোরীর বাবা মো. হাসমত আলী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মকবুল হোসেন (৬০) প্রতিবেশী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্তসহ অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে পূর্বে অভিযুক্ত ও তার পরিবারকে সতর্কও করা হয়। ঘটনার দিন বিকেলে মকবুল হোসেন কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে কয়েকটি শ্যাম্পু দিয়ে পুনরায় অনৈতিক প্রস্তাব দেন। কিশোরী তা প্রত্যাখ্যান করলে রাতে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে তিনি চলে যান।
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় কিশোরীর দাদি ঘরে নামাজে বসলে সুযোগ বুঝে মকবুল ঘরে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে কিশোরীকে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় কিশোরী নিজের আত্মরক্ষার্থে ঘরে পড়ে থাকা একটি পুরোনো ব্লেড দিয়ে মকবুলের যৌনাঙ্গে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে চিৎকার করতে করতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও অভিযুক্ত গোপনে লালমনিরহাট বা রংপুরের কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কিশোরীর বাবা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফুলবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন জানান, কিশোরীর বাবার পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদক: অনিল চন্দ্র রায়, কুড়িগ্রাম
