শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (রাজস্ব) আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পর্যটন খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জৈন্তাপুরের বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সড়ক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা আবশ্যক। সারা দেশের অসংখ্য পর্যটক প্রতিদিন এই অঞ্চলে আসেন। পর্যটকদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা গেলে পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা সরকারের রাজস্ব বাড়াতেও বড় ভূমিকা রাখবে। এ উদ্দেশ্যে উপজেলা সদর থেকে বিভিন্ন ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হবে।
স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে জৈন্তাপুর বাজারের আধুনিকায়নের ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই বর্তমান পুরনো বাজার ভেঙে চারতলা আধুনিক মার্কেট নির্মাণের মূল কাজ শুরু হবে। বাজারকে সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া আগামী সপ্তাহেই জৈন্তাপুর বাজার থেকে টিএনও কার্যালয় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু হতে যাচ্ছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনন্দা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নুমেরী জামান, গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল নোমান, জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাফিজসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।
প্রতিবেদক: সিলেট প্রতিনিধি
