স্বজন সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে মাদরাসার উদ্দেশ্যে বের হয় মাহি ও তানিশা। তবে ছুটির পরও তারা আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি।
সন্তানদের হারিয়ে চরম উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন দুই প্রবাসীর পরিবার। কোনো উপায় না পেয়ে গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তানিশার মা সালমা বেগম এবং মাহিমার মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে রোববার রাত পর্যন্ত নিখোঁজ দুই ছাত্রীর কোনো হদিস মেলেনি।
এদিকে দুই শিশুর দীর্ঘ সময় ধরে কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, ওই ছাত্রীরা আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক কোনো মানবপাচারকারী চক্রের হাতে পড়তে পারে। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফ হোসাইন জানান, শিক্ষার্থীদের নিখোঁজের পর থানায় জিডি গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখোঁজ দুই ছাত্রীকে উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবেদক: কুমিল্লা প্রতিনিধি
