আজকের তারিখ লোড হচ্ছে...
সাম্প্রতিক:
আক্ষরিক নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...
> কেনাকাটা

রাজশাহীতে জমে উঠেছে শুক্রবারের হলিডে মার্কেট: কেনাকাটা আর আড্ডায় উপচে পড়া ভিড়


সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজশাহীর মূলধারার বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকার সুযোগে ফুটপাতজুড়ে জমে উঠেছে জমজমাট ‘হলিডে মার্কেট’। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটার পাশাপাশি ছুটির আমেজ উপভোগের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে এই অস্থায়ী বাজার।

রাজশাহী মহানগরীর ব্যস্ততম প্রাণকেন্দ্র সাহেব বাজার এলাকায় প্রতি শুক্রবার ভোর থেকেই এই হলিডে মার্কেটের পসরা সাজিয়ে বসেন শত শত ক্ষুদ্র ও ভাসমান ব্যবসায়ী। সারাদিন গড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে এই কেনাকাটা ও কেনাবেচার উৎসব।

এই হলিডে মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পণ্য সামগ্রী। ছোট-বড় সবার রকমারি পোশাক, বিভিন্ন ডিজাইনের জুতা-স্যান্ডেল, গৃহস্থালির ঘর সাজানোর যাবতীয় প্রসাধন ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র, ক্রোকারিজ থেকে শুরু করে শিশুদের মনকাড়া বাহারি খেলনাসামগ্রীর বিশাল সমাহার রয়েছে এখানে। সাধারণ মার্কেটের তুলনায় পণ্যের গুণগত মান বজায় রেখে অপেক্ষাকৃত কম দামে বিক্রয় করায় সব বয়সের ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি চাকুরিজীবী ও পেশাজীবীরা তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা করতে এই হলিডে মার্কেটে ছুটে আসছেন। বিশেষ করে শুক্রবার বিকেলে প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে হালকা কেনাকাটার পাশাপাশি ঘুরে বেড়ানোর এক চমৎকার ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয় এখানে। ক্রেতা-দর্শনার্থীদের জন্য মার্কেটের আশপাশে রয়েছে মুখরোচক স্থানীয় হরেক রকমের খাবারের দোকান, যেখান থেকে ক্রেতারা পছন্দসই খাবার চেখে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কর্মব্যস্ত সপ্তাহের পর কম খরচে কেনাকাটা ও বিনোদনের এমন সুযোগ নগরবাসীর জন্য একটি স্বস্তিদায়ক অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে।

কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাহেব বাজার এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার কারণে নারী ও শিশুসহ সব বয়সী মানুষ নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা সারতে পারছেন।

প্রতিবেদক: মো. গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন