আজকের তারিখ লোড হচ্ছে...
সাম্প্রতিক:
আক্ষরিক নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম...
> উন্নয়ন

ঈশ্বরদী রেলগেটে ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ঢাকায় সওজের বিশেষজ্ঞ দল


ঈশ্বরদী শহরের দীর্ঘদিনের চিরচেনা যানজট ও জনদুর্ভোগ লাঘবে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের ঐকান্তিক উদ্যোগে ঈশ্বরদী রেলগেট এলাকায় ফ্লাইওভার কিংবা আন্ডারপাস নির্মাণের প্রাতিষ্ঠানিক সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কারিগরি প্রতিনিধিদল সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার তেজগাঁওস্থ সড়ক ভবনের টেকনিক্যাল সার্ভিসেস উইং থেকে আগত সওজ-এর বিশেষ বিশেষজ্ঞ দলটি ঈশ্বরদী রেলগেট এলাকায় এসে পৌঁছায়। পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধিদলটি ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাস নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান, দৈনিক যানবাহন চলাচলের ঘনত্ব, ট্রাফিক ব্যবস্থার সার্বিক চিত্র, রেলগেটের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সিগন্যালের সময় তীব্র যানজটজনিত সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের নানামুখী দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এই বিশেষ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম শফিকুজ্জামান। তাঁর সাথে পরিদর্শন দলে ছিলেন সহকারী উপবিভাগীয় প্রকৌশলী খান মো. রাওহা।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মাহফুজুর রহমানসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় অধিবাসী ও নিত্যযাত্রীরা জানান, ঈশ্বরদী রেলগেট পয়েন্টটি পাবনা, কুষ্টিয়া ও নাটোরসহ উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলার অন্যতম সংযোগস্থল। প্রতিদিন এই ব্যস্ততম রেলগেট দিয়ে হাজার হাজার ছোট-বড় যানবাহন ও সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। তবে দিনে ও রাতে অসংখ্য যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রেলগেট বন্ধ রাখতে হয়, ফলে দুই পাশে তৈরি হয় দীর্ঘ ও স্থবির যানজট। এতে করে জরুরি রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি ও সময়ের অপচয় ঘটে। দীর্ঘ দিন ধরেই ঈশ্বরদী বাসী এই গেটে একটি স্থায়ী ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাস নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

পরিদর্শনকারী বিশেষজ্ঞ দলের কর্মকর্তারা জানান, মাঠপর্যায়ের সম্ভাব্যতা যাচাই ও কারিগরি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সম্ভাব্যতা যাচাই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন ও বাস্তবায়নে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবেদক: দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন