বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চণ্ডীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ হামলার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে।
পালিয়ে যাওয়া আবু ছিদ্দিক কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য ও চণ্ডীপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে আবু ছিদ্দিককে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে চণ্ডীপুর এলাকায় অভিযান চালায় দর্শনা থানা-পুলিশের একটি দল। অভিযানের একপর্যায়ে তাঁকে আটক করে হাতকড়া পরায় পুলিশ। এ সময় আবু ছিদ্দিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা হঠাৎ পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং হাতকড়া পরা অবস্থাতেই তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। ওই সুযোগে হাতকড়াসহ পালিয়ে যান আবু ছিদ্দিক। স্বজনদের হামলায় অভিযানে অংশ নেওয়া দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
এদিকে পুলিশ পরিদর্শক ও সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চণ্ডীপুর হালদার পাড়ার রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্জয়ের স্ত্রী কণা এবং সঞ্জিতের স্ত্রী সোনালীকে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামি আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়, এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকে পুনরায় গ্রেফতার এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুখলেসুর রহমান বলেন, হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদক: রুবাইত-বিন-আজাদ, চুয়াডাঙ্গা
