নিহত সাদিয়া ওই এলাকার ইয়ানুর রহমানের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যরা ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে সাদিয়ার ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিক চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভেড়ামারা থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
ঘটনার বিষয়ে সাদিয়ার মা জানান, একই এলাকার আসিফ নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ের কথা চূড়ান্ত হয়েছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিক সম্মতি ও সম্পর্ক নিশ্চিত করতে আসিফের পরিবার সম্প্রতি সাদিয়ার নাকে নাকফুলও পরিয়ে দিয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে হঠাৎ ঘরের ভেতর এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্ত শেষে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
প্রতিবেদক: মো. ছিয়াম হোসেন, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)